ঝিনাইদহ, প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার কুল্ল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামে সংঘর্ষে নিহত কৃষকদল নেতা আবুল কাশেমের মৃত্যু পারিবারিক বিরোধের ফল বলে দাবি করেছে উপজেলা জামায়াত। এ ঘটনায় তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে হরিণাকুন্ডু উপজেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা আমির বাবুল হোসাইন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া কেন্দ্র করে একই পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং সেই বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে আবুল কাশেম নিহত হন। এটি সম্পূর্ণ পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধ, কোনো রাজনৈতিক ঘটনা নয় বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আউয়াল, সহ-সেক্রেটারি মাওলানা তাজুল ইসলাম, জামায়াত নেতা ছগির আহমেদ, ইদ্রিস আলী, শফিউদ্দিন, যুব বিভাগের সেক্রেটারি কামরুল হাসান ও শামীম মিয়া। জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বিএনপি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক রং দিয়ে কিছু নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। এমন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাবুল হোসাইন বলেন, এটি সামাজিক ও পারিবারিক বিরোধ হওয়ায় সামাজিকভাবে বসে সমাধান করা প্রয়োজন। সংবাদ সম্মেলনের শেষে নিহতের রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। এদিকে, বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটায় কুল্ল্যাগাছা ভাতুড়িয়া গ্রামের শহীদ সদর উদ্দিন প্রাইমারি স্কুল মাঠে জানাজা শেষে আবুল কাশেমকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এমজিদ, কাপাসহাঁটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি চান মিয়া, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টুসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।