কালীগঞ্জ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রস্তাবিত নতুন ভবন নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেছেন ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব। হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শয্যাসংখ্যা বৃদ্ধি এবং চিকিৎসাসেবার পরিধি সম্প্রসারণের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে সংসদ সদস্য কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে গিয়ে প্রস্তাবিত ভবন নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের সার্বিক অবস্থা, বিদ্যমান অবকাঠামো এবং চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমানুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এ সময় সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব বলেন, কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হলে এ অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে। সাধারণ মানুষ যাতে নিজ এলাকায় সহজে উন্নত ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিতে পারেন, সে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসুবিধা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
স্থানীয়দের মতে, কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শয্যাসংকটও চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। হাসপাতালটি ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হলে রোগীদের ভর্তি ও চিকিৎসার সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে কালীগঞ্জের পাশাপাশি আশপাশের উপজেলার মানুষও উপকৃত হবেন।
সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রস্তাবিত নতুন ভবন নির্মাণসহ উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে হাসপাতালের অবকাঠামোগত সক্ষমতা বাড়বে এবং স্থানীয় পর্যায়ে চিকিৎসাসেবার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে। তবে এ উদ্যোগের সুফল পেতে ভবন নির্মাণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, নার্স, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য জনবল নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের উন্নত চিকিৎসাসেবার প্রত্যাশা পূরণে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

