জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ ভারতীয় সেনা নিহত

জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ ভারতীয় সেনা নিহত

ঝিনেদার কাগজ ডেস্ক

জম্মু-কাশ্মীরের কুলগামে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছে।

শুক্রবার রাতে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চলাকালে এ দুইজন নিহত হয় বলে শনিবার ভারতীয় সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে।

‘বন্দুকযুদ্ধে’ আরও দুই সেনা আহত হওয়ারও খবর দিয়েছে তারা। ১ অগাস্ট থেকে ওই অঞ্চলে চলা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে এখন পর্যন্ত এক সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। যে দুই সেনার মৃত্যু হয়েছে, তারা হলেন- ল্যান্স নায়েক প্রীতপল সিং ও সিপাহি হারমিন্দর সিং; ভারতীয় সেনাবাহিনীর চিনার কর্পস এক্সে দেওয়া পোস্টে এ দু’জনের নাম পরিচয় জানায় বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

কর্মকর্তারা বলছেন, জঙ্গল ও পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় অভিযান শেষ হতে সময় লাগছে।

সন্ত্রাসীদের অবস্থানের খবর পেয়ে দক্ষিণ কাশ্মীরের অখলের বনাঞ্চলে ১ অগাস্ট থেকে অভিযানে নামে ভারতের নিরাপত্তা বাহিনী।

লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদের খুঁজতে এ অভিযানে ড্রোন ও হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হচ্ছে।

পুলিশের একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে এনডিটিভি বলছে, অন্তত তিন বিদেশিসহ ‘৫ জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে’ খবর পেয়ে ওই এলাকায় অভিযান শুরু হয়। এ সন্ত্রাসীরা জঙ্গল যুদ্ধে খুবই দক্ষ বলেই ধারণা করছে নিরাপত্তা বাহিনী।

এ সন্ত্রাসীদের নাম, কিংবা তারা কোন সংগঠনের তা জানা যায়নি।

আরো পড়ুন
4994
আরো পড়ুন
IMG_20251214_140501
আরো পড়ুন
সবচেয়ে বেশি হীরা উত্তোলন করা দেশগুলো
আরো পড়ুন
ট্রাম্প-পুতিন বৈঠক
আরো পড়ুন
ইরান বিভিন্ন ক্ষেত্রে গোয়েন্দা ব্যর্থতার কারণে শোচনীয় পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। ১৯৭৯ সালের ইরানি জিম্মি সংকট, ১৯৮০ সালের অপারেশন ঈগল ক্ল, এবং ইসরায়েলের পারমাণবিক নথি তেহরানে চলে যাওয়া - এই ঘটনাগুলো ইরানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দুর্বলতা এবং ব্যর্থতার উদাহরণ। এই সব ঘটনায় ইরান বিভিন্ন দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে. ইরানের গোয়েন্দা ব্যর্থতার উদাহরণ: **ইরান জিম্মি সংকট (Iran Hostage Crisis): ১৯৭৯ সালে তেহরানে ৬৬ জন মার্কিন নাগরিককে জিম্মি করে রাখা হয় এবং তাদের মধ্যে ৫২ জনকে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জিম্মি করে রাখা হয়। এই সংকট ইরানি বিপ্লবের পর দেখা দেয়। এই সংকট ছিল একটি আন্তর্জাতিক সংকট, যেখানে ইরানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের দুর্বলতা এবং ব্যর্থতা প্রমাণ করে. **অপারেশন ঈগল ক্ল (Operation Eagle Claw): ১৯৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জিম্মিদের উদ্ধারের জন্য একটি অভিযান চালায়, যা অপারেশন ঈগল ক্ল নামে পরিচিত। এই অপারেশনে দুটি হেলিকপ্টার যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এগিয়ে যেতে পারেনি এবং একটি ধূলিঝড়ের কারণে দৃশ্যমানতা হ্রাস পায়। এই কারণে পুরো দলটিকে দেরিতে অবতরণ করতে হয় এবং অভিযানটি ব্যর্থ হয়. **ইসরায়েলের পারমাণবিক নথি তেহরানে চলে যাওয়া: সম্প্রতি ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনার নথি তেহরানে চলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনা ইরানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যর্থতার আরও একটি উদাহরণ, যেখানে তাদের দুর্বলতার কারণে গোপন তথ্য ফাঁস হয়ে গেছে. **ইসরাইলের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি: কিছু তথ্য থেকে জানা গেছে যে, ইসরাইল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই তথ্য ইরানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দুর্বলতা এবং ব্যর্থতার ইঙ্গিত দেয়. এই সব ঘটনা প্রমাণ করে যে, ইরানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তাদের কাজ সঠিকভাবে করতে পারেনি এবং তাদের দুর্বলতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃশ্যমান হয়েছে। এই দুর্বলতার কারণে ইরান বিভিন্ন ক্ষেত্রে শোচনীয় পরাজয় বরণ করতে হয়েছে.
আরো পড়ুন
ভারতের মহাকাশ অভিযান ব্যর্থ, মাঝপথে বাতিল মিশন-রকেট ধ্বংস
আরো পড়ুন
Scroll to Top