Nationallaborforce 50cf30 720x405 1

শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে তিন দিনের সময়সীমা, শ্রমমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

স্টাফ রিপোর্টার

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!
শ্রমিকদের চলমান মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে আগামী তিন দিনের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণ ও কার্যকরের দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন জাতীয় শ্রমিক শক্তি। একই সঙ্গে শ্রমিকদের আন্দোলনে হামলা, দমন-পীড়ন ও বলপ্রয়োগ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে শ্রমমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের নেতারা। এ সময় শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে সরকার ও মালিকপক্ষকে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ও সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, সরকার ও মালিকপক্ষ মজুরি বোর্ড গঠনের নামে দলীয়করণ করে নিজেদের পছন্দের লোক নিয়োগ দিয়েছে। এ কারণে সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সরকারের অপরিপক্ব সিদ্ধান্তের কারণেই শ্রমিকদের আন্দোলন ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। শিল্পকারখানার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে হলে বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি করতে হবে।

জাতীয় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম ফকির বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিন ধরে নতুন মজুরি বোর্ড গঠন ও মজুরি পুনর্নির্ধারণের দাবি জানানো হচ্ছে। কিন্তু শ্রমমন্ত্রী এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি। এ ব্যর্থতার দায় নিয়ে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত। আগামী তিন দিনের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ ও কার্যকর করতে হবে।

সংগঠনটির সদস্য সচিব রিয়াজ মোর্শেদ শ্রমিকদের আন্দোলনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বাধা বা হামলা না চালানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শ্রমিকদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বলপ্রয়োগ গ্রহণযোগ্য নয়। শ্রমিক ভাই-বোনদের ভয় না পেয়ে শান্তিপূর্ণভাবে রাজপথে অবস্থান করতে হবে। তাঁদের আন্দোলনে হামলা চালানো হলে দেশের ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ তাঁদের পাশে দাঁড়াবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে কতিপয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও পুলিশের যৌথ মদদে শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের দমন-পীড়ন অব্যাহত থাকলে শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আরও বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেন নেতারা।

তারা বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি উপেক্ষা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে সরকারকে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দ্রুত নতুন মজুরি কাঠামো বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় শ্রমিক শক্তির মুখ্য সংগঠক আরমান হোসেন, কেন্দ্রীয় সংগঠক শেখ রুবেলসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আরও পড়ুন:

আরো পড়ুন
1 29c3b0
আরো পড়ুন
Bangladesh Bank Jporman
আরো পড়ুন
Ontora Tati
আরো পড়ুন
Airport 1
আরো পড়ুন
Education Minister11 Ajker Patrika
আরো পড়ুন
Mir Shahe Alam
আরো পড়ুন
Scroll to Top