Hsc Exam

এইচএসসির ফল: ইংরেজি-আইসিটিতেই বিপর্যয়

শিক্ষা ডেস্ক: উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বিগত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধস নেমেছে। গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই সর্বনিম্ন পাসের হার রেকর্ড করা হয়েছে এবং প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। শিক্ষা বোর্ডগুলোর গড় পাসের হার এবং সর্বোচ্চ ফল অর্জনকারীর সংখ্যা উভয়ই উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে সার্বিক এই পতনের পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশানুরূপ ফল করতে না পারা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ফলাফল বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে মূলত ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ের খারাপ ফলাফলই সামগ্রিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এই দুই বিষয়ে রেকর্ডসংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করেছেন, যা মোট অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর বড় একটি অংশ। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, গ্রামাঞ্চলে দক্ষ শিক্ষকের তীব্র সংকট এবং শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশের দীর্ঘদিনের ইংরেজিভীতি এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে পাঠদানের জন্য উপযুক্ত ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাব থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় শিখনদক্ষতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছেন, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পরীক্ষার ফলাফলে।

শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা বোর্ডের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের মতে, এবারের এই ফলাফল কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং দীর্ঘদিনের সংকটের বহিঃপ্রকাশ। প্রকৃত শিক্ষা ও মূল্যায়নের ঘাটতির কারণে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা অর্জন করতে পারছেন না। এর পাশাপাশি মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফলাফলের করুণ দশা সামগ্রিক চিত্রকে আরও ম্লান করে দিয়েছে। অন্যান্য বিভাগের তুলনায় মানবিক বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে কম রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের হিসাববিজ্ঞান বিষয়েও অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় নম্বর তুলতে পারেননি, যা ফল বিপর্যয়কে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

এবারের ফলাফলের পেছনে নানামুখী প্রতিকূল পরিস্থিতিও বড় ধরনের প্রভাব রেখেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়েছিল কয়েকটি অঞ্চল এবং পরীক্ষা কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষার্থী আন্দোলন পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক শিখনঘাটতি তৈরি হয়েছিল। এর ওপর পরীক্ষার হলে কড়াকড়ি এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নে কঠোর নীতি অনুসরণ করায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর সূচক একসঙ্গে নিম্নমুখী হয়েছে।

আরো পড়ুন
Brsl Sks Brd Tedknpw
আরো পড়ুন
Pujibazar 41ecc0
আরো পড়ুন
Medicine Jute Products C5f789
আরো পড়ুন
Israel Politics Election Government Protest 190930.jpg
আরো পড়ুন
1000030399 1ce4ad.og Image 3a2de6
আরো পড়ুন
108848dc 3b02 4434 9bb0 F57fcd7e827e Ddba8a.og Image 244ef9
আরো পড়ুন
Scroll to Top