ঝিনাইদহ প্রতিনিধি –
ভিত্তিহীন প্রতিবেদন ও চরিত্রহননের অপচেষ্টা- হামিদুর রহমান রানার বিরুদ্ধে কালের কণ্ঠের সংবাদ নিয়ে ক্ষোভ। সম্প্রতি জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠ-এ হামিদুর রহমান রানা নামে একজন সংগঠকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত একটি সংবাদকে ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, সীমান্ত অপরাধসহ নানা গুরুতর অভিযোগ করা হলেও, এ সংক্রান্ত তথ্য যাচাই কিংবা ভুক্তভোগীর বক্তব্য গ্রহণ ছাড়াই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হামিদুর রহমান রানা বর্তমানে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে মাত্র তিন হাজার টাকা বেতনে ইমামতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এখনো সেখানেই দায়িত্বে আছেন এবং অত্যন্ত সাদাসিধে জীবনযাপন করে আসছেন।
তার জীবনযাত্রা নিয়ে ‘আচমকা পরিবর্তন’-এর যেসব দাবি সংবাদে করা হয়েছে, তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। জানা গেছে, তিনি প্রায় পাঁচ বছর ধরে নিজ অর্থে মোটরসাইকেল ব্যবহার করছেন। ২০২০ সাল থেকে তিনি মোটরসাইকেল চালান। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন সেটের দাম ১৩-১৫ হাজার টাকার মধ্যে। কোনো দামি ফোন বা গাড়ি তাঁর কাছে নেই।
রানা বলেন,আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ সংবাদে ছাপা হয়েছে, তার একটিও সত্য নয়। একটি প্রভাবশালী মহল আমার সাংগঠনিক পরিচয়ের কারণে সুবিধা না পেয়ে আমাকে ঘায়েল করার অপচেষ্টায় নেমেছে। তিনি আরও বলেন,আমার বিঠাবাড়ি ছাড়া কোনো জমিজমা নেই। বরং আমি এখনও প্রতিদিন নামাজ পড়াই, এলাকায় সম্মানের সঙ্গে জীবনযাপন করছি।
এ বিষয়ে মহেশপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী সোহেল রানা বলেন,”দৈনিক কালের কণ্ঠ” আমার যে বক্তব্য ছেপেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। কালের কণ্ঠের কোনো প্রতিনিধির সঙ্গে আমার এ বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। এটি তাদের নিজস্ব মনগড়া তথ্য।
স্থানীয় সুশীল সমাজের অনেকেই মনে করেন, একটি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকা মানেই অপরাধে জড়িত হওয়া নয়। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে এভাবে জাতীয় গণমাধ্যমে টেনে এনে সামাজিকভাবে হেয় করা সাংবাদিকতা নীতিমালার পরিপন্থী।
এদিকে হামিদুর রহমান রানা কালের কণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদকে ‘চরিত্রহননের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার’ বলে আখ্যা দিয়ে আইনগত ব্যবস্থার কথাও বিবেচনা করছেন বলে জানান।