Port Fgn8nih

মিথ্যা ঘোষণায় বন্দরে বাড়ছে আমদানি

অর্থনীতি ডেস্ক: চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অসাধু আমদানিকারকরা কম শুল্ক পরিশোধের উদ্দেশ্যে নতুন নতুন কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন বলে বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারিতে এই ধরনের বহু অবৈধ চালান ধরা পড়ে। মূলত ভুল ট্যারিফ নির্ধারণ, পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ ও দাম গোপন করা এবং নিষিদ্ধ বা উচ্চ শুল্কের পণ্য লুকিয়ে আনার মতো অনিয়মগুলো বেশি ঘটছে। কাস্টমস হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ শাখা এসব জালিয়াতি রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে যেসব পণ্য আনা হয়েছে, তার মধ্যে স্ক্র্যাপের আড়ালে যন্ত্রপাতি বা গাড়ি এবং সাধারণ পণ্যের আড়ালে মোবাইল ফোন বা প্রসাধনী আমদানির মতো ঘটনা রয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ে মিথ্যা ঘোষণা সন্দেহে মোট ৪৬৭টি আমদানি চালান জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে মোট ২৭০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জব্দ করা এসব চালান থেকে শুল্ক ফাঁকি রোধ এবং জরিমানা বাবদ মোট ৫৮ কোটি দুই লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। কাস্টমসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এবার চালান জব্দের হার প্রায় ত্রিশ শতাংশ বেশি। এর আগের অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ৩৬১টি চালান জব্দ করা হয়েছিল এবং মামলা হয়েছিল ১৯৯টি। সময়ের ব্যবধানে অনিয়মের মাত্রা বাড়ার পাশাপাশি রাজস্ব ও জরিমানা আদায়ের পরিমাণও বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র মোহাম্মদ শরীফ আল আমিন জানান, বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির অপচেষ্টা বাড়ায় কাস্টমস কর্মকর্তারা তাদের তদারকি আরও জোরদার করেছেন। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অপরাধ দমনের কাজ চলছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কাস্টমসের এআইআর শাখার পাশাপাশি শুল্ক গোয়েন্দা এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ইউনিট অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করছে। কাসটমস কর্মকর্তাদের এই কঠোর অবস্থানের ফলে অসাধু চক্রগুলোর অনেক জালিয়াতি ইতিমধ্যে ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। অনিয়ম রোধে নিয়মিত চালানের শতভাগ কায়িক পরীক্ষাও চালানো হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

ব্যবসায়ী সমাজের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক ও চট্টগ্রাম কাস্টম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মো. ইসমাইল খান বলেন, মিথ্যা ঘোষণা দেওয়ার পেছনে অনেক সময় একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় থাকে। তাই ইচ্ছাকৃতভাবে যারা শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে, কাস্টমসের কড়াকড়ির কারণে যেন কোনোভাবেই বৈধ আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা অহেতুক হয়রানির শিকার না হন। সামগ্রিক বাণিজ্য পরিবেশ ঠিক রেখে অনিয়মকারীদের আইনের আওতায় আনতে পারলে সরকারের রাজস্ব আয় আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো পড়ুন
E0a6b8e0a78de0a6ace0a6b0e0a6bee0a6b7e0a78de0a69fe0a78de0a6b0e0a6aee0a6a8e0a78de0a6a4e0a78de0a6b0e0a6b2e0a79f 038947.og Image A16a53
আরো পড়ুন
Fahmida 20e4e7
আরো পড়ুন
265ef7b0 D456 11f1 8780 Edcbf4859104
আরো পড়ুন
News Image 2026 10 30t213857.100 57e71a.og Image 072118
আরো পড়ুন
E0a69ae0a6bee0a687e0a6a8e0a6be 22ee19.og Image 9a0c9a
আরো পড়ুন
Beautiful Pet Portrait Small Dog Cat
আরো পড়ুন
Scroll to Top