E0a686e0a6aee0a6bee0a6b0e0a6a6e0a787e0a6b6 Ff6885.og Image C25f41

বেতন বাড়ানোর দাবিতে মিরপুরে শ্রমিকদের ৬ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ

জাতীয় ডেস্ক: ন্যূনতম মজুরি ত্রিশ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় প্রায় ছয় ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এদিন সকালে মিরপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে শ্রমিকরা অবস্থান নিলে প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। একই সঙ্গে গাজীপুরেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন শ্রমিকরা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে দশটার দিকে কারখানা থেকে বেরিয়ে এসে মিরপুর দশ নম্বর চত্বর, পল্লবী এবং মিরপুর এগারো নম্বর এলাকার প্রধান সড়কগুলোতে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শ্রমিকরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরোধ প্রত্যাহারের জন্য আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। এ সময় কারখানা মালিকপক্ষ শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন যে, বিদেশি ক্রেতা, বিজিএমইএ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেতন বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে আলোচনার মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত শ্রমিকরা কর্মস্থলে ফিরতে রাজি হননি।

আন্দোলনরত সাব্বির নামের এক পোশাক শ্রমিক জানান, ওভারটাইমসহ প্রতিদিন দীর্ঘ সময় কাজ করেও মাত্র আষাটো হাজার টাকা বেতন পান তিনি। বেতনের সিংহভাগ অংশই বাড়িভাড়া বাবদ চলে যাওয়ায় বর্তমান বাজারে পরিবার নিয়ে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তাই তাদের দাবি, হয় অবিলম্বে ন্যূনতম বেতন বাড়াতে হবে, নতুবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনশীল পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে। মিরপুর অঞ্চলের পুলিশের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার জানান, যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল এবং শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেওয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।

এদিকে রাজধানীর পাশাপাশি গাজীপুরেও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক তিন ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। মহাসড়কের প্রায় সাত কিলোমিটারজুড়ে যান চলাচল বন্ধ থাকায় শত শত যাত্রী ও চালক চরম ভোগান্তিতে পড়েন। শ্রমিকদের ভাষ্যমতে, বর্তমান আয়ে সংসার চালানো কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না, তার ওপর আগের মতো অতিরিক্ত কাজের সুযোগও কমে গেছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে শিল্পাঞ্চলটিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কিছু কারখানায় ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। পুলিশ ও শিল্প পুলিশের হস্তক্ষেপে এবং দফায় দফায় আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

আরো পড়ুন
87997c54 F3fd 4ad5 A621 64d0a508bf37 7f6d42.og Image 22f2f3
আরো পড়ুন
Db Harun
আরো পড়ুন
Business Thumbnail
আরো পড়ুন
Bank
আরো পড়ুন
B6926e59 B7bf 4c15 9343 55312b5399b5
আরো পড়ুন
E0a69ce0a6aee0a6bf E0a69ce0a6b0e0a6bfe0a6aa 18b852
আরো পড়ুন
Scroll to Top