Tangail Shikkha Bhaban 787e22

টাঙ্গাইলে ছয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, একটিতে পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র ১ জন

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট তথা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে টাঙ্গাইল জেলায় এক চরম বিপর্যয়ের চিত্র উঠে এসেছে। জেলার মোট ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি, যা স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শতভাগ শিক্ষার্থীর ফেল করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা শিক্ষা অফিস। সামগ্রিক ফলাফলের এই করুণ দশা সংশ্লিষ্ট এলাকায় তীব্র অভিভাবক অসন্তোষ এবং উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নিয়মিত পাঠদান না হওয়া এবং তদারকির ঘাটতিই এই বিপর্যয়ের মূল কারণ।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে গোপালপুরের খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমি, শিমলা পাবলিক উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং গোপালপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এছাড়া সখীপুরের সূর্য তরুণ শিক্ষাঙ্গন আবাসিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ভূঞাপুরের অলোয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং নাগরপুরের ইসলামাবাদ দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার কোনো শিক্ষার্থীও এবার সফলতার মুখ দেখেননি। এর মধ্যে ভূঞাপুরের অলোয়া হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মাত্র একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু সাতজন শিক্ষক থাকার পরও সেই একমাত্র শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি। একইভাবে খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমি থেকে সাতজন, শিমলা পাবলিক উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে একজন, গোপালপুর টেকনিক্যাল থেকে পাঁচজন, সূর্য তরুণ থেকে চারজন এবং দারুস সুন্নাহ আলিম মাদ্রাসা থেকে সাতজন অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেন।

জেলা শিক্ষা অফিসের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, টাঙ্গাইল জেলায় এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সামগ্রিক পাসের হার মাত্র ৫০ দশমিক ৩২ শতাংশ। মোট ২৯ হাজার ৮৪২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও এর মধ্যে পাস করতে পেরেছেন ১৫ হাজার ১৬ জন এবং জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন ৩৬৬ জন শিক্ষার্থী। বিভিন্ন শাখার মধ্যে সাধারণ এইচএসসিতে পাসের হার ৪৯ দশমিক ৬২ শতাংশ, আলিমে ৫৬ দশমিক ২৯ শতাংশ, এইচএসসি বিজনেস ম্যানেজমেন্টে ৫৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং ভোকেশনাল শাখায় ৪৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে অর্ধেকের বেশি পরীক্ষার্থী পাস করতে না পারায় জেলার শিক্ষাঙ্গনে এক ধরনের স্থবিরতা ও হতাশা বিরাজ করছে।

শিক্ষাবিদ ও শিক্ষক নেতারা এই ফলাফলের জন্য প্রধানত শিক্ষক সমাজের অবহেলা এবং শিক্ষা কর্মকর্তাদের নজরদারির অভাবকে দায়ী করছেন। মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির জেলা শাখার একাংশের সভাপতি আব্দুল কাদেরের মতে, এই ভরাডুবির দায় শিক্ষকরা কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না এবং এর পূর্ণ দায় তাঁদেরই নিতে হবে। পাশাপাশি তিনি শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে অভিভাবকদের আরও বেশি সচেতন হওয়ার এবং সরকারি পর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন। অন্যদিকে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা জানিয়েছেন যে শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ইতিমধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। তাদের লিখিত জবাব পাওয়ার সাপেক্ষে প্রচলিত সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরো পড়ুন
Dnld Trmp Trump
আরো পড়ুন
Garments Ynytyv6
আরো পড়ুন
Whatsapp Image 2026 10 31 At 16.18.22
আরো পড়ুন
3a749eb8c2cdf94e626d2226b8a10b6e Untitled 13
আরো পড়ুন
Whatsapp Image 2026 10 31 At 10.17.21 Pm
আরো পড়ুন
Whatsapp Image 2026 10 31 At 11.13.36
আরো পড়ুন
Scroll to Top